সত্যি বলছি ব্যাপক ভালো লাগবে: ভ্রমণ করে আসুন পূর্বাচল-তিনশ ফিট রোড। যেকারনে পূর্বাচল-তিনশ ফিট রোডে ঘুরতে যাচ্ছে সবাই।
বিনোদনের অন্যতম আকর্ষনীয় স্থান হয়ে উঠেছে পূর্বাচল তিনশ’ ফিট সড়ক এলাকা
ছুটির দিনে রাজধানীবাসীর বিনোদনের অন্যতম আকর্ষনীয় স্থান হয়ে উঠেছে পূর্বাচল তিনশ’ ফিট সড়ক এলাকা। গ্রামীন পরিবেশে এখানকার কয়েকটি খাবার হোটেলের প্রেমে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ। প্রায় চল্লিশ রকমের ভর্তা, পনের থেকে বিশ আইটেমের মাছ, আট-দশ প্রজাতির মাংস আর অসংখ্য রকমারী সব্জির স্বাদে, বিমোহীত ঘুরতে আসা রুচিশীল মানুষ। তাই সকাল ছ’টা থেকে রাত দু’টো অব্দি– ভীড় থাকে এখানকার হোটেলগুলোতে।
এই পূর্বাচল রাজধানীর বিশ্বরোড থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে। এখানকার বেশ ক’টি হোটেলে সরিষা, কালোজিরা, বেগুনসহ প্রায় চল্লিশ পদের ভর্তা। আছে কোড়াল, রুপচাদা, পুটি আর চিংড়িসহ নানা প্রজাতির মাছ। সুস্বাদু নানা খাবারের সুনাম এরিমধ্যে মন কেড়েছে ভোজনপ্রিয়াসুদের।
রাজধানীর যান্ত্রিক জীবনকে আড়াল করতেই প্রতিদিন হাজারো মানুষ খোলা প্রকৃতিতে ঘুরতে আসেন এখানে। প্রাকৃতিক কোলাহলহীন পরিবেশে বাংলা খাবারের স্বাদে, বিমোহিত সবাই। মুখরোচক ফাস্টফুড থেকে শিশুদের দূরে রাখতে এবং দেশীয় নানা খাবারের সাথে পরিচিত করতেও, এই হোটেলগুলো অনন্য। দিনভরই ভিড় লেগে থাকে হোটেলগুলোতে। তবে সুস্বাদু এসব বাংলা খাবার খেতে চাইলে– একটু অপেক্ষা যে করতেই হবে।
হোটেল মালিকরা জানান, খোলামেলা পরিবেশে ঘুরতে আসা মানুষগুলোর সেবা করতেই তাদের এই রকমারী আয়োজন।